পেয়ারার মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ, সি, পটাশিয়াম, লাইকোপেন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস  এবং ফাইবার । এই লক্ষণীয় পুষ্টি উপাদানের জন্য এটি  অনেক স্বাস্থ্য সম্মত একটি ফল ।

তবে আপনি কি জানেন পেয়ারার পাতায়ও রয়েছে অনেক ঔষধী  গুণ? স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ ডাইজেস্ট জানিয়েছে পেয়ারার পাতার অসাধারণ কিছু  ঔষধী গুণের কথা।



১. পেয়ারাপাতা অকালে মাথার চুল ঝরে যাওয়া কমাতে সাহায্য করে । সেই সঙ্গে নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে । পেয়ারাপাতার রস চুলের গোড়া মজবুত করতে সাহায্য করে।

এর জন্য পেয়ারার পাতা পানিতে ফুটান। এর পর  একে ঠান্ডা হতে দিন। এরপর পানিটি মাথায় ম্যাসাজ করুন। সপ্তাহে অন্তত তিনদিন এই পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে চুলের যত্ন নিতে পারলে অতিরিক্ত চুল ঝরার সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে। এ ছাড়া গজাবে নতুন চুল।

২. পেয়ারা পাতার চা নিয়মিত খেলে রক্তের বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে। এটি ভালো কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়াতে কাজ করে।

৩. ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য নিয়মিত পেয়ারার পাতার চা পান করা ভালো। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে কাজ করে।

৪. পেয়ারা পাতার চায়ের মধ্যে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদানের জন্য এটি ডায়রিয়া ও ডিসেনট্রি কমাতে কাজ করে।

৫. কফ ও ব্রঙ্কাইটিস কমাতেও পেয়ার পাতার চা বেশ কার্যকর।

৬. পেয়ারা পাতার চা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এটি চর্বি কমাতে কাজ করে এবং  পেট ভরা ভরা ভাব রাখে। এতে ওজন কমে।

এটা আপনার শরীর থেকে চর্বি গলাতে সাহায্য করবে। আপনার শরীরের চর্বি গলার সাথে সাথে আপনার শরীরের যদি এলার্জির সমস্যা থাকে তবে তাও সেরে যাবে।

৭. পেয়ারা পাতার অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদানের জন্য এটি পাকস্থলীর সমস্যারোধে ভালো কাজ করে। এটি ফুড পয়জনিং রোধেও অত্যন্ত উপকারী।


পেয়ারা পাতার চা যেভাবে বানাবেন - 


প্রথমে একটা পরিষ্কার পাত্রে  ৮-১০ টি পেয়ারা পাতা নিন । এটাকে পানি দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করুন।

এবার পেয়ারা পাতা গুলো একটা প্যানে রাখুন । এখন এর ভিতর কিছুটা আদা এবং লেবু দিন । এখন এর ভিতর এক কাপ মত পানি দিয়ে এটাকে পাঁচ মিনিট ধরে বয়েল করে নিন । এরপর এটাকে একটি কাপে ঢেলে আপনি খেতে পারবেন।